| লেখক | হাবিব আনিসুর রহমান |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | April 29, 2026 |
| catagory | প্রবন্ধ |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
“আমাদের নতিপোতা গ্রামের ইতিহাস : ইতিহাস-ঐতিহ্য-প্রেম-জীবন-দূর্ভিক্ষ-প্রতিরোধ” বইটি সর্ম্পকে কিছু তথ্যঃ সাদা রঙের মানুষগুলোর কাছে যে দিনটা-ক্রিসমাস ডে,নতিপোতা গ্রামের মানুষগুলোর কাছে তা শুভ বড়দিন। পঁচিশে ডিসেম্বর নতিপোতার খৃস্টানদের কাছে কলাগাছই তাদের ক্রিমসা ট্রি। যদিও চব্বিশে ডিসেম্বর গভীর রাতে এসে বুড়ো সান্তাক্লজ উপহার রেখে যায় না শিশুদের জন্যে,কেউ ক্রিসমাস বক্স উপহার দেয় না,তবুও দরিদ্র এসব মানুষগুলোর মধ্যে সেই রাতে পিঠা তৈরির ধুম পড়ে যায়। কে কতো সুন্দর পিঠা বানিয়ে খেতে দেবে বড়দিনে বেড়াতে আসা মেহমানদের। সকালে রান্না হবে বাড়ির পোষা লাল ঝুঁটিঅলা বড় মোরগ অথবা রাজহাঁসের ঝোল তার সাথে একটু পরিষ্কার চালের ভাত। আনন্দের কমতি হয়না কোথাও। সেই ১৮৪৬ সনে এই অজপাড়াগাঁ নতিপোতার কাঁচা রাস্তার একহাঁটু কাদাজল পেরিয়ে,কলেরা বসন্ত ম্যালেরিয়া মোকাবেলা করে,সাহেবরা গড়ে তুলেছিল রোমান ক্যাথলিক চর্চা- মিশন পল্লি। এখন এসব পেছনে ফেলে ফাদাররা ফিরে যাচ্ছে যার যার দেশে,এই উনিশ চুয়াত্তরেই। মাঝখান থেকে কিছু মানুষ স্বধর্ম ত্যাগ করে বেছে নিল সাহেবদের খৃস্টধর্ম। যীতেন্দ্র হলো যোসেফ,প্রহল্লাদ হলো পিটার। নিম্নবর্গের মানুষের ইতিহাস বুঝি এমনই,শোষণে শোষণে শুধু প্রাণই নাস্তানাবুদ হয়না,ওরা ধর্মও হারায়। কিন্তু মূল মানুষটা থাকে ওই একই।