| লেখক | অপরাহ উইনফ্রে, আর্থার সি. ব্রুকস |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | June 15, 2026 |
| catagory | আত্ম-উন্নয়ন , মোটিভেশনাল ও মেডিটেশন |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 144 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
সুখ। মানুষের সবচেয়ে কাক্সিক্ষত বস্তু। কিন্তু পরিপূর্ণভাবে সুখী হওয়া কি আদতেই সম্ভব? বেস্টসেলার এ বইতে আর্থার সি ব্রকস আর অগ্রাহ্ উইনফ্রে এ প্রশ্নেরই উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন। বৈজ্ঞানিক নানা গবেষণা আর নিজেদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে তাঁরা দেখিয়েছেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও কীভাবে সুখী হওয়া সম্ভব। অন্তর্দৃষ্টি, সহমর্মিতা আর আশার সমন্বয়ে পাঠকের সামনে হাজির করেছেন মূল্যবান নানা পরামর্শ, যা জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারেÑএখনই। গবেষণাভিত্তিক নানা অনুশীলনের মাধ্যমে পরিবার, বন্ধুত্ব, কাজ ও বিশ্বাসŇসুখী জীবনের এ চারটি ভিত্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এ বইতে। এ চারটি ভিত্তির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাই এনে দিতে পারে কাক্সিক্ষত সেই জীবন যার স্বপ্ন সবাই দেখে। সুখী জীবনের রহস্য জানার জন্য অবশ্যপাঠ্য এক বই ‘বিল্ড দ্য লাইফ ইউ ওয়ান্ট’। আর্থার সি. ব্রকস খ্যাতনামা একজন লেখক, বক্তা ও শিক্ষাবিদ। হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে শিক্ষকতা করছেন। আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এ পর্যন্ত তেরোটি বই লিখেছেন তিনি, যার অধিকাংশই বেস্টসেলার। তাঁর বিখ্যাত বইয়ের মধ্যে আছে ‘ফ্রম স্ট্রেংথ টু স্ট্রেংথ: ফাইন্ডিং সাকসেস’, ‘হ্যাপিনেস অ্যান্ড ডিপ পারপাস ইন দ্য সেকেন্ড হাফ অব লাইফ’, ‘লাভ ইওর এনেমিজ’, ‘দ্য কনজারভেটিভহার্ট’, ‘দ্য রোড টু ফ্রিডম’ এবং অগ্রাহ্ উইনফ্রের সঙ্গে যৌথভাবে লেখা ‘বিল্ড দ্য লাইফ ইউ ওয়ান্ট দ্য আর্ট অ্যান্ড সায়েন্স অব গেটিং হ্যাপিয়ার’। অপ্ৰাহ্ গেইল উইনফ্রে বিশ্বখ্যাত অভিনেত্রী, টিভি উপস্থাপক, লেখক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। ‘দ্য অগ্রাহ্ উইনফ্রে শো’ তাঁকে এনে দিয়েছে প্রবাদপ্রতিম খ্যাতি, পঁচিশ বছর ধরে যা একটানা প্রচারিত হয়েছে। ‘কুইন অব অল মিডিয়া’ নামে পরিচিত অগ্রাহ্ উইনফে প্রায়ই জায়গা করে নেন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায়। তিনি সম্মানজনক ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এ পর্যন্ত ১৯ বার ডেটাইম এমি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। পেয়েছেন টনি অ্যাওয়ার্ড, পিবডি অ্যাওয়ার্ডসহ আরও অনেক পুরস্কার। ২০১৩ সালে জিতেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সম্মানজনক ‘প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম’।