Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

বুদ্ধিবৃত্তিক যুদ্ধ

বুদ্ধিবৃত্তিক যুদ্ধ

৳500
৳425
আল্লাহ আদম (আ:) কে তৈরী করে ফেরেশতাদের সাথে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। ফেরেশতারা পরাজিত হলে আল্লাহ তাদেরকে আদেশ দেন আদম (আ:) কে সিজদা করার। সবাই আদম (আ:) এর বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিলেও শয়তান আল্লাহকে চ্যালেঞ্জ করে সিজদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। শ
  লেখক   ড. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম
  প্রকাশনী

 মুনলাইট পাবলিকেশন

  সংস্করণ   May 1, 2026
  catagory  ইসলামি বই
  Language   বাংলা
  Number of Pages   578
  Cover Type   হার্ড কভার

আল্লাহ আদম (আ:) কে তৈরী করে ফেরেশতাদের সাথে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। ফেরেশতারা পরাজিত হলে আল্লাহ তাদেরকে আদেশ দেন আদম (আ:) কে সিজদা করার। সবাই আদম (আ:) এর বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিলেও শয়তান আল্লাহকে চ্যালেঞ্জ করে সিজদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। শয়তান সরাসরি আদম (আ:) কে প্ররোচিত করতে না পারলে কুট কৌশলের আশ্রয় গ্রহণ করে জান্নাত থেকে বিতাড়িত করে। কাফের, মুশরিক এবং আহলে কিতাবরা রাসূল (সাঃ) এর কাছে এসে নানা জটিল প্রশ্ন করে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কে হারানোর চেষ্টা করত। কিন্তু যার শিক্ষক স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা তাকে হারানো কি এতো সোজা? আল্লাহ তায়ালা আয়াত নাযিল করে তাদের উত্তর জানিয়ে দিতেন। কখনো বা রাসূল (সাঃ) বিচক্ষণতার সাথে তাদের মুকাবেলা করতেন। মক্কার কুরায়েশরা যখন অঙ্কুরে ইসলামী রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার চক্রান্তে লিপ্ত ছিল ঠিক তখন রাসূল (সাঃ) সাহাবিদের নিয়ে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দরতম সমাজকাঠামো নির্মাণে ব্যস্ত ছিলেন। ব্যক্তি থেকে সমাজ, রাষ্ট্র হয়ে আন্তর্জাতিক সকল পরিমন্ডলের জন্য শ্রেষ্ঠতম দিকনির্দেশনা ইসলাম দিয়েছে। আল্লাহর রাসূল (সাঃ) শুধু নিজে লড়াই করেই ক্ষ্যন্ত হননি বলেন ররং তার সাথে একদল যোগ্য লোক রেখে তাদেরকে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করেছিলেন। হযরত ওমর (রাঃ), হযরত আলী (রাঃ) সহ অন্যান্য সাহাবায়ে কেরাম যায় প্রকৃষ্ট উদাহরণ। রাসূল (সাঃ) এর ইন্তেকালের পরও মুসলমানরা শেষ শতাব্দী পর্যন্ত যে পৃথিবীতে নেতৃত্ব দিয়েছিলো তা সম্ভব হয়েছিলো বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই দিয়ে। পদার্থ, রসায়ন, আলজেবরা, জ্যোতির্বিজ্ঞান থেকে অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান কিংবা মনোবিজ্ঞান জ্ঞানের কোন শাখা মুসলিম মনিষীরা বাদ রাখেননি। জ্ঞানপাপী ইবলিসের অনুসারীরা খ্যাত নামা মুসলিম গবেষকদের কর্ম চুরি করে অনুবাদ করে নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছেন। লেখক ড. নুরুল ইসলামের বুদ্ধিবৃত্তিক যুদ্ধ বইটি প্রকাশ হওয়ার আগেই পাঠক মহলে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। ইতিমধ্যে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসভুক্ত হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা একাডেমিক নন-একাডেমিক সকল ধরনের পাঠক বইটি থেকে উপকৃত হবে। ইনশাআল্লাহ। আমরা লেখকের জন্য দেয়া করি আল্লাহ যেন তার এ মহৎ কর্মকে তার নাজাতের উছিলা কবুল করেন আমিন। লড়াইয়ের ময়দানে জেতার অন্যতম পূর্বশর্ত হলো প্রতিপক্ষের কৌশল সম্পর্কে জানা। বইটি পাঠককে শয়তান এবং হাল আমলের বিভিন্ন মতাদর্শের চাদরে আচ্ছাদিত শয়তানের রুহানী উত্তরসূরীদের বিরুদ্ধে চিন্তা ও চেতনায় সচেতন করে তুলবে। আর কথা না বাড়িয়ে আসেন প্রস্তুত হই এবং বিচক্ষণ বুদ্ধিবৃত্তিক যোদ্ধা হিসাবে গড়ে উঠতে একধাপ এগিয়ে যাই।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।