| লেখক | মাওলানা মুহম্মদ গোলাম হাসান |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | April 28, 2026 |
| catagory | জীবনী , স্মৃতিচারণ ও সাক্ষাৎকার |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 96 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
বিশিষ্ট তাবেয়ী হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি ছিলেন একেবারে প্রথম সারির তাবিয়ি,বড় বড় সাহাবায়ে কেরাম রদ্বিয়াল্লাহুমদের থেকে ইলম শিক্ষা করেছেন, সত্তরজন সাহাবায়ে কিরামের সাক্ষাৎ লাভ করেছেন। বস্তুত, উনার বর্ণাঢ্য জীবনীতে রয়েছে আখিরাতের জন্য প্রচুর খোরাক। উনার ইলম, আমল, আখলাক,সাধনা, নছিহত-সহ অনেক কিছুই পরবর্তী উম্মতদের জন্য বেশ উপকারী ও অনুপ্রেরণাদায়ী। তিনি একাধারে ফকিহ, মুহাদ্দিস, মুফাসসির,আদিব ও জাহিদ ছিলেন। তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠদের অন্তর্গত। তাই উনার জীবনীর পরতে পরতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অসংখ্য হীরা ও মণিমুক্তা।ইমাম গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, পৃথিবীর মানুষের মধ্যে হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি এর কথা ছিল নবীগণের বাণীর সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ এবং উনার চরিত্র ব্যবহার ছিল সাহাবীগণের চরিত্রের খুব কাছাকাছি। বক্ষ্যমাণ এ গ্রন্থটি একজন মহান তাবিয়ীর জীবনী বলা হলেও প্রকৃত অর্থে এটা অনেক উপদেশ ও প্রজ্ঞার সমষ্টি। আখিরাতমুখী হওয়ার সব উপকরণ ও দুনিয়াবিমুখতা অর্জনের উপায় নিয়েই বেশি আলোচনা।তাই এ থেকে একজন মনীষীর জীবনী জানার পাশাপাশি এমন কিছু অর্জন হবে বলে আমাদের বিশ্বাস, যা কেবল দুনিয়া বা আখিরাত নয়; বরং উভয় জগতকে উজ্জ্বল করে তুলবে। হযরত আমাশ রহমতুল্লাহি আলাইহি বলতেন, হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রজ্ঞার প্রতি খুব মনোযোগী ছিলেন। ফলে তিনি প্রজ্ঞাপূর্ণ ভাষায় কথা বলতে সক্ষম হয়েছিলেন