| লেখক | আদিল সালেহী, টি. ও. শানাবাস |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 1, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | Unknown Cover |
রাসুল (স.)-এর সঙ্গে বিয়ে হওয়ার সময় হজরত আয়েশা (রা) ও তাঁর বয়স সম্পর্কে অনেক কথা বলা হয়েছে। এখানে আমরা বিভিন্ন প্রামাণিক বর্ণনা, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে হজরত আয়েশা (রা) এর দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিভিন্ন ঘটনায় তাঁর প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে সত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করব। প্রথমেই আমাদের স্মরণ রাখা উচিত যে, রাসুল (স.) যখন আল্লাহর বাণী পান এবং তা প্রচার করতে শুরু করেন তখন আরবের অধিকাংশ লোক নিরক্ষর ছিল। রাসুল (স.) নিজেও লিখতে বা পড়তে পারতেন না। তাছাড়া, আরবদের কোনো স্বীকৃত বর্ষপঞ্জি ছিল না। তারা বিভিন্ন বিষয়ের তারিখ নির্ণয় করত তাদের জীবনের ওপর প্রভাব বিস্তারকারী বড় ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ফলে বড় কোনো ঘটনা ঘটার পর তাদের নির্ণয় করা তারিখেরও পরিবর্তন হয়ে যেত। দৃষ্টান্ত হিসেবে বলা যায়, রাসুল (স.) হস্তির বছরে জন্মগ্রহণ করেন বলা হয়। এই হস্তির বছরটা হলো ওই সময় যখন ইয়েমেনের শাসনকর্তা আবরাহা কাবাগৃহ ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে একটা বিরাট বাহিনী নিয়ে আসে- ওই বাহিনীর পুরোভাগে ছিল একটা হাতি। তৎকালীন আরবদের জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ নিবন্ধনের ব্যবস্থা ছিল না। সুতরাং ওই সময় কোনো লোকের যে বয়স উল্লেখ করা হতো অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা সঠিক বলে গ্রহণ করা হতো। একটা দৃষ্টান্ত দেয়া যেতে পারে। রাসূল (স)-এর সময়ে অনেকে গোত্র প্রধান ছিলেন, যেমন রাসূল (স)-এর দাদা আবদ আল-মুত্তালিব এবং দু’জন প্রসিদ্ধ কবি হাসান ইবন ছাবিত ও আল-নাবিঘা আল-জুয়াদি। বলা হয় তারা ১২০ বছর জীবিত ছিলেন। তাদের কেউ ১১৫ বছর বা ১২৫ বছর জীবিত ছিলেন বলা হয় না, বরং সরলীকরণ করে বলা হয় তারা সবাই ১২০ বছর জীবিত ছিলেন। আবার একই ব্যক্তির বিভিন্ন রকম বয়স উল্লেখ করা হয়েছে।