Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

ইসলামিজম

ইসলামিজম

৳450
৳338
জনৈক মাদানীকে একবার বলতে শুনেছিলাম, “ফিরআউনের সলীল সমাধির পর মূসাকে (আ:) আল্লাহ্‌ মিশরের সিংহাসনে বসতে বলেননি।” ইসলামের সাথে রাজনীতির সম্পর্ক – এই বিতর্কে নিজের আর্গুমেন্ট জানাতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন তিনি। রাজনৈতিক ইসলাম বা ইসলামী রাজনীতির আলোচনা বোঝাতে
  লেখক   খালেদ এইচ আরমান
  প্রকাশনী

 প্রজন্ম পাবলিকেশন

  সংস্করণ   May 3, 2026
  catagory  প্রবন্ধ
  Language   বাংলা
  Number of Pages   200
  Cover Type   হার্ড কভার

জনৈক মাদানীকে একবার বলতে শুনেছিলাম, “ফিরআউনের সলীল সমাধির পর মূসাকে (আ:) আল্লাহ্‌ মিশরের সিংহাসনে বসতে বলেননি।” ইসলামের সাথে রাজনীতির সম্পর্ক – এই বিতর্কে নিজের আর্গুমেন্ট জানাতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন তিনি। রাজনৈতিক ইসলাম বা ইসলামী রাজনীতির আলোচনা বোঝাতে ইসলামিজম পরিভাষা ব্যবহার করা হয়। ইসলাম কতটা রাজনৈতিক? বা, রাজনীতিতে ইসলাম কতটা প্রাসঙ্গিক? এ’দুটি এই বইয়ের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। পৃষ্ঠাগুলোতে মুসলমানদের ইসলামী রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য কিছু কারণ দর্শানোর চেষ্টা করেছি। সেই সাথে বইতে আরও গুরুত্ব পেয়েছে রাজনীতি ব্যতীত মুসলমানদের অবস্থা কী রূপ হতে পারে সেই আলোচনা। আর রাজনৈতিক সচেতনতা অর্জন করে এক ধর্মের লোকেরা কিভাবে পৃথিবীর সিংহাসনে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করে নিয়েছে সেই ব্যাপারেও আলোচনা করেছি। অতঃপর, বর্তমান সময়ে রাজনৈতিকভাবে সচেতন মুসলমানদের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিতর্ক, গণতন্ত্র নাকি খেলাফত প্রশ্নে নিজের অবস্থানের পক্ষে কিছু যুক্তি প্রদর্শনপূর্বক অন্য অবস্থানের সমর্থনে প্রদর্শিত যুক্তিগুলো যাচাই করার দুঃসাহস দেখিয়েছি। সর্বশেষ, মুসলমান হিসেবে একবিংশ শতাব্দীতে আমাদের করণীয় কী হওয়া উচিত সে বিষয়েও আলোকপাত করেছি। এখানে জনৈক মাদানীর প্রশ্ন নিয়ে কোন মাথা ঘামাইনি। তিনি তো মুসা (আ:) ও মুহাম্মদের ﷺ মিশন এবং মুসার (আ:) উম্মাত ও মুহাম্মদের ﷺ উম্মাতের দায়িত্বকে একই মনে করেছেন। ফিরআউনের সলীল সমাধির পর মূসার (আ:) মিশরের সিংহাসনে না বসার কারণ সুলাইমান (আ:) ও জুলকারনাইনকে আল্লাহ্‌ কেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রদান করেছিলেন সেই প্রশ্নের মধ্যে নিহিত। ধর্ম ও রাষ্ট্রের মিথস্ক্রিয়া ও রাষ্ট্র পরিচালনায় ধর্মের প্রভাব অনস্বীকার্য ও অনিবার্য। এমনকি পশ্চিমা “সেকিউলার” বা “লিবারাল” রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিও ধর্মের প্রভাব বলয় থেকে মুক্ত নয়। কিভাবে সেটা বিস্তারিত থাকছে বইয়ের পাতায়। রাজনৈতিক ইসলামের আলোচনায় স্বাভাবিকভাবেই ইরান, মিশর, আফগানিস্তানের মত দেশের প্রসঙ্গ এড়ানো যায় না। তাই কেইস স্টাডী হিসেবে তালিবানের সাথে থাকছে ইরানের “ইসলামী” সরকার ও মিশরের মুহাম্মদ মুরসি এবং অন্যান্য। বইটা অনেকের জন্য একটা নিছক আবর্জনা। কিন্তু অনেকের জন্য একটা পাথেয় হতে পারে। তবে দু’পক্ষের জন্যই চিন্তার খোরাক হবে বইটি; তাদের মধ্যে নতুন চিন্তার জন্ম দেবে। এই ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। আপনিও পড়ুন; ভাবুন উম্মাহ নিয়ে।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।