Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

ইতিহাস থেকে শিক্ষা [মুহাম্মাদ ইলহামির রচনা অবলম্বনে]

ইতিহাস থেকে শিক্ষা [মুহাম্মাদ ইলহামির রচনা অবলম্বনে]

৳400
৳300
১৬ হিজরির জিলকদ মাসে জালুলার যুদ্ধে জয়ের পর উমর রা নির্দেশ দেন পারস্যে মুসলমানদের সামরিক অভিযান স্থগিত করতে। এর পেছনে কয়েকটি কারণ ছিল। এই যুদ্ধে মুসলমানদের হাতে প্রচুর গনিমতের মাল আসে। উমর আশঙ্কা করছিলেন, এর ফলে মুসলমানদের মনে সম্পদের লোভ বৃদ্ধি পাবে এবং
  লেখক   ইমরান রাইহান
  প্রকাশনী

 চিন্তাপত্র প্রকাশন

  সংস্করণ   May 3, 2026
  catagory  ইসলামি বই
  Language   বাংলা
  Number of Pages   200
  Cover Type   হার্ড কভার

১৬ হিজরির জিলকদ মাসে জালুলার যুদ্ধে জয়ের পর উমর রা নির্দেশ দেন পারস্যে মুসলমানদের সামরিক অভিযান স্থগিত করতে। এর পেছনে কয়েকটি কারণ ছিল। এই যুদ্ধে মুসলমানদের হাতে প্রচুর গনিমতের মাল আসে। উমর আশঙ্কা করছিলেন, এর ফলে মুসলমানদের মনে সম্পদের লোভ বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের আত্মসংযম ও দুনিয়াবিমুখতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ ছাড়া তিনি মনে করেছিলেন, পারস্যের শক্তি ভেঙে পড়েছে, তারা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই উমর রা লক্ষ করলেন, পারস্যের শহরগুলোতে বারবার বিদ্রোহ মাথাচাড়া দিচ্ছে। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন, গভর্নররা হয়তো জনগণের সাথে ভালো ব্যবহার করছে না। পারস্য থেকে আগত এক প্রতিনিধি দলকে তিনি প্রশ্ন করেন, তোমরা কি জিম্মিদের সাথে কোনো অন্যায় আচরণ করো? তারা তোমাদের প্রতি ক্ষিপ্ত হচ্ছে কেন? তারা জবাব দেয়, আমরা তো শুধু ন্যায়বিচার ও উত্তম আচরণই করছি। উমর জিজ্ঞেস করেন, তাহলে বিদ্রোহ এত বাড়ছে কেন? তখন আহনাফ ইবনে কায়স বলেন, আমিরুল মুমিনিন, আপনি আমাদের আদেশ দিয়েছেন বিজয় অভিযান বন্ধ রেখে শুধু আমাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতেই অবস্থান করতে। কিন্তু পারস্যের সম্রাট এখনো জীবিত। তার অস্তিত্ব তাদেরকে শক্তি ও সাহস জোগায়। তাদের সম্রাটকে ফিরিয়ে আনার আগ পর্যন্ত তারা আমাদের সাথে লড়াই করতেই থাকবে। দুজন শাসক কখনো এক অঞ্চলে থাকতে পারে না, যতক্ষণ তাদের একজন অপরজনকে বহিষ্কার না করে। তাদের প্রতিটি বিদ্রোহের পেছনে তাদের সম্রাটের ইন্ধন আছে। আপনি আমাদের অনুমতি দিন, আমরা আবার সামরিক অভিযান শুরু করি এবং তাদের সম্রাটকে সমূলে বিনাশ করি। তখনই পারস্যবাসীর আশা ও স্বপ্ন সম্পূর্ণ নিরাশায় পরিণত হবে। উমর রা আহনাফের কথা মেনে নেন এবং তিনি পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করার নির্দেশ দেন। মুসলমানরা আবার সামনে অগ্রসর হয় এবং ১৯ হিজরির মহররম মাসে নিহাওয়ান্দের যুদ্ধে জয়লাভ করে। এই বিজয়কে বলা হয় ফাতহুল ফুতুহ। কারণ, এই যুদ্ধে সম্রাটের হাতে থাকা সর্বশেষ বাহিনীটি ধবংস হয়ে যায়। এরপর সম্রাট ইয়াজদিগার্দ এক স্থান থেকে অন্যস্থানে পালাতে থাকে। শেষে এক গ্রামে কিছু কৃষক তাকে চিনতে পেরে হত্যা করে। এর মাধ্যমে পারস্য শান্ত হয় এবং বিদ্রোহের প্রবণতাও কমে যায়।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।