| লেখক | হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | April 29, 2026 |
| catagory | রহস্য , গোয়েন্দা , ভৌতিক , থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার |
| Language | : বাংলা |
| Number of Pages | 368 |
| Cover Type | পেপার ব্যাক |
‘কুইন অভ দ্য ডন’ বইয়ের কিছু অংশঃ এক রিমা’র স্বপ্ন। ভীষণ যুদ্ধ হয়েছে মিশরে। দু’ভাগে ভাগ হয়ে গেছে দেশটা। উত্তরে মেমফিস ও ট্যানিসে এবং অনেক শাখায় বিভক্ত হয়ে সমুদ্রের দিকে বয়ে-চলা নীল নদের উর্বর ব-দ্বীপ অঞ্চলে একসময় জোর করে ক্ষমতা দখল করেছিল দুর্ধর্ষ মেষপালকরা,যারা জাতিগতভাবে আটি নামে পরিচিত। এদের বাপ-দাদারা,কয়েক প্রজন্ম আগে,বন্যার মতো অপ্রত্যাশিতভাবে আবির্ভূত হয়েছিল। মিশরে; ধ্বংস করে দিয়েছিল অনেক মন্দির আর দেবদেবীর মূর্তি,হস্তগত করেছিল ওখানকার সম্পদ। দক্ষিণে,মানে থেবেসে,শাসনকাজ চালিয়ে যাচ্ছিল প্রাচীন ফারাওদের বংশধররা,তবে ওদের অবস্থা খুব একটা সুবিধার ছিল কখনোই। কারণ উত্তরের সবগুলো শহর দখল করে রাখা। আটিদের তাড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছিল ওরা নিরন্তর,কিন্তু সফল হতে পারছিল না। ওদের এই ব্যর্থতার কারণ,ওরা সামরিক দিক দিয়ে দুর্বল। আটিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ওরা যাতে শক্তিশালী হতে পারে সেজন্য ব্যাবিলনের রাজা ডিটানাহ্,তাঁর মেয়ে রিমাকে বিয়ে দিয়েছিলেন ফারাও খেপেরুরা’র সঙ্গে। খেপেরুরা আর রানি রিমার একমাত্র সন্তান রাজকুমারী……. বইটির শেষের কথাঃ দলটা অদ্ভুত। রানি হয়েও চাষির স্ত্রীর বেশ ধারণ-করা রিমা। চাষির মেয়ের মতো করে সাজানো রাজকুমারী নেফরা। সম্ভ্রান্ত ধাইমা থেকে আটপৌরে রমণী সাজা কেম্মাহ। দেহরক্ষী থেকে কুলিতে পরিণত হওয়া দৈত্যাকৃতির রু। এবং ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়া রহস্যময় টাউ। পালাচ্ছেন তারা। কারণ ভীষণ এক যুদ্ধে নিহত হয়েছেন ফারাও খেপেররা,বিজয়ীপক্ষ হত্যা করতে চাইছে রানি ও রাজকুমারীকে ।দলটা কি পারবে মেমফিসের পবিত্র ভূমিতে হাজির হতে,। যেখানে থাকেন গোপন এক ভ্রাতৃতসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা সাধু রয়? তিনি কি নেফাকে আগলে রাখতে পারবেন আসলেই? দেবী আইসিস ও হাথোরকে নিয়ে যে-স্বপ্ন দেখেছেন রিমা,। তা কি সত্যি হবে শেষপর্যন্ত?