Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

মুমিনের পাথেয় (কিতাবুয যুহদের অনুবাদ) (দুই খণ্ড)

মুমিনের পাথেয় (কিতাবুয যুহদের অনুবাদ) (দুই খণ্ড)

৳730
৳584
অনুবাদক : আবদুস সাত্তার আইনী তাহকিক : শায়খ আহমাদ ফরিদ সম্পাদক : মাকতাবাতুল বায়ান সম্পাদনা পরিষদ পৃষ্ঠা : ৫০৪ কভার: হার্ড কভার বক্স ফ্রি ! ধরুন আপনি ওয়েটিং রুমে বসে ট্রেনের অপেক্ষা করছেন। কোনো কারণে ট্রেন আসতে দেরি হচ্ছে। বসে থাকতে থাকতে আপনি দেখতে পেলেন,
  লেখক   ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক (রহ)
  প্রকাশনী

 মাকতাবাতুল বায়ান

  সংস্করণ   April 30, 2026
  catagory  ইসলামি বই
  Language   বাংলা
  Number of Pages   0
  Cover Type   Unknown Cover

অনুবাদক : আবদুস সাত্তার আইনী তাহকিক : শায়খ আহমাদ ফরিদ সম্পাদক : মাকতাবাতুল বায়ান সম্পাদনা পরিষদ পৃষ্ঠা : ৫০৪ কভার: হার্ড কভার বক্স ফ্রি ! ধরুন আপনি ওয়েটিং রুমে বসে ট্রেনের অপেক্ষা করছেন। কোনো কারণে ট্রেন আসতে দেরি হচ্ছে। বসে থাকতে থাকতে আপনি দেখতে পেলেন, ওয়েটিং রুমটা বেশ জরাজীর্ণ। মাকড়সা জাল বিস্তার করে রেখেছে চতুর্দিকে। জানালাগুলোও ভাঙা। এই দৃশ্য দেখে আপনি শ্রমিক খবর দিলেন। শ্রমিকদের দিয়ে ওয়েটিং রুমটা মেরামত করানোর কাজে লেগে গেলেন। কিন্তু এসব করতে করতে গন্তব্যে যাওয়ার একমাত্র ট্রেনটা মিস করলেন আপনি। বলুন তো, এটা কি কোনো বুদ্ধিমানের কাজ হবে? এবার একটু চোখটা বন্ধ করুন। ভাবুন। এই দুনিয়াটা কি ওয়েটিং রুমের মতো নয়? আমরা তো এখানে এসেছি কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার জন্যে। মৃতুর ট্রেন ধরে আমরা চলে যাব পরপারে। ওখানে গিয়েই যাত্রাবিরতি দেব। এরপর পৌঁছে যাব পরম সুখের মঞ্জিলে। তবে কীসের আশায় এই দুনিয়ার পেছনে লেগে গেলাম? কেন দুনিয়াবি চাকচিক্যের মোহে পড়ে মঞ্জিলের কথা ভুলে গেলাম? কেন পরপারের পাথেয় অর্জন না করে দুনিয়ার পেছনে দিবানিশি ছুটে চললাম? এখনও কি বোঝার সময় হয়নি? পাথেয় সংগ্রহ করার দিকে মনোযোগ দেবার সময় কি এখনও হয়নি? প্রিয় ভাই, প্রিয় বোন। আসুন, মঞ্জিলে পৌঁছোবার প্রস্তুতি নিই। নিশ্বাস ফুরোবার আগেই সফরের পাথেয় জোগাড় করি। আপনার সফরের পাথেয় অর্জনে সঠিক দিক-নির্দেশনা দেওয়ার জন্যে মাকতাবাতুল বায়ান নিয়ে আসছে “মুমিনের পাথেয়”। আজ থেকে প্রায় ১৩০০ বছর পূর্বে ইমাম ইবনুল মুবারাক রহিমাহুল্লাহ রচিত এই মহামূল্যবান কিতাবটি হতে পারে আপনার জন্যে সর্বোত্তম সহায়ক। সবকিছু একদিন মিলিয়ে যাবে। মিটে যাব সূর্যের আলো, রঙধনুর সাত রঙ, নীল আকাশ। মিলিয়ে যাবে স্তরে স্তরে সাজানো সপ্তাকাশ। একদিন সবকিছু তুলোর মতো ওড়ে যাবে। পাহাড়গুলো চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে। জমিন তার সবকিছু বের করে দেবে। মুসলিম পরিবারে জন্ম-নেওয়া প্রতিটি ব্যক্তিই বোধহয় এই কথাগুলো জানে। কারণ, মুসলিমমাত্রই পরকালকে বিশ্বাস করে। দুনিয়া যে চিরস্থায়ী কোনো আবাস সেটাও বিশ্বাস করে। পাশাপাশি এটাও বিশ্বাস করে যে, মৃত্যুর মধ্য দিয়ে নতুন এক জীবনের সূচনা হবে। আর ওই জীবনটাই চিরস্থায়ী। যেটার শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই। ওটাই আমাদের গন্তব্য। ওখানে পৌঁছানোর জন্যেই দুনিয়ায় এসেছি আমরা। সেই চিরস্থায়ী জীবনের মুক্তি পাওয়ার জন্যে, জান্নাতের অনাবিল প্রশান্তির মধ্যে একটুকু ঠাঁই পাওয়ার জন্যে আমরা কি পাথেয় সংগ্রহ করব না? আমাদের সামনে তো বিশাল সফর। দুনিয়ার জীবনের সমাপ্তির পর শুরু হবে সেইটা। তো, সেই জীবনের জন্যে কিছুই নিয়ে যাব না আমরা? প্রস্তুতি নেব না সেখানকার সফর শেষ করে চিরশান্তির মঞ্জিলে পৌঁছোনোর? আজ থেকে ১৩০০ বছর পূর্বে লিখিত এই বইটি আপনাকে সেই দিকেই পথ দেখিয়ে দেবে।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।