| লেখক | ওয়াহিদুর রহমান (ফ্রিল্যান্সার ওয়াহিদ) |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | April 28, 2026 |
| catagory | আত্ম-উন্নয়ন , মোটিভেশনাল ও মেডিটেশন |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 0 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
“অফিসে নেকড়ে যাদের মনে হয়—আসলে তারা নয়। আসল নেকড়ে থাকে নিজের ভেতর।” বাইরে থেকে তাকালে মনে হয় আকাশছোঁয়া এক কাচের প্রাসাদ। ঝকঝকে ফ্লোর, হাড়হিম করা এসি, আর পরিপাটি পোশাকের স্মার্ট মানুষ। কিন্তু কাচের দরজার ওপাশে পা রাখলেই বোঝা যায়—এটি আসলে এক আধুনিক জঙ্গল। এখানে গাছের আড়ালে বাঘ থাকে না, থাকে ফাইলের আড়ালে ষড়যন্ত্র। এখানে শিকার ধরার জন্য নখ বা দাঁত লাগে না, লাগে মিষ্টি হাসি আর কূটকৌশল। গল্পের নায়ক ইশতিয়াক রহমান—মধ্যবিত্ত পরিবারের এক স্বপ্নবাজ তরুণ। যোগ্যতা আর সততাকে পুঁজি করে সে প্রবেশ করে ‘কর্পোরেট হাইভ’-এ। কিন্তু খুব দ্রুতই তার ভুল ভাঙে। সে আবিষ্কার করে, এই অফিসের ‘আলফা উলফ’ বা নেকড়ে-সর্দার মিরাজ আহমেদ-এর রাজত্বে টিকে থাকার নিয়ম একটাই—‘শিকার করো, অথবা শিকার হও’। টিকে থাকার লড়াইয়ে ইশতিয়াক কি পারবে নিজের সততা ধরে রাখতে? নাকি পরিস্থিতির চাপে সে নিজেই পরিণত হবে এক ধূর্ত নেকড়েতে? সাজ্জাদ, মানসুর ভাই, কিংবা শবনম আপার মতো চরিত্ররা কি তাকে পথ দেখাবে, নাকি ঠেলে দেবে অন্ধকারের দিকে? ‘নেকড়ের অফিস’ নিছক কোনো গল্প নয়; এটি বিবেক বনাম উচ্চাকাঙ্ক্ষার এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের দলিল। এটি আপনাকে শেখাবে কর্পোরেট রাজনীতির অলিগলি, মুখোশপরা মানুষদের চেনার উপায় এবং দিনশেষে নিজের মনুষ্যত্ব টিকিয়ে রাখার কৌশল। কেন পড়বেন এই বই? বাস্তবতার দর্পণ: যারা কর্পোরেট জগত বা অফিসে কাজ করেন, তারা প্রতি পাতায় নিজের জীবনের ছায়া খুঁজে পাবেন। মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব: পদোন্নতির লোভে মানুষ কতটা নিচে নামতে পারে এবং বিবেকের দংশন তাকে কীভাবে কুড়ে কুড়ে খায়—তার এক নিপুণ আখ্যান। সারভাইভাল গাইড: অফিস পলিটিক্স মোকাবিলা করে কীভাবে নিজের অবস্থান শক্ত করতে হয়, গল্পে গল্পে মিলবে তার পাঠ। রোমাঞ্চকর কাহিনি: টানটান উত্তেজনায় ভরপুর এই উপন্যাসটি শুরু করলে শেষ না করে উঠতে পারবেন না।