| লেখক | মঈনুস সুলতান |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | June 15, 2026 |
| catagory | ভ্রমণ |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 176 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
"নিকারাগুয়ার পুরাতাত্ত্বিক নগরী ও নির্জন দ্বীপ" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: নিকারাগুয়ার এক ক্যাথিড্রালের সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় জেরবার হন লেখক। সিনােরিতা আদ্রিয়ানা এখনাে এসে পৌছেনি, হার্টের সমস্যায় নির্জন এপার্টমেন্টের কাউচে সে কী পেইনকিলারের ঘােরে পড়ে আছে? দেখতে পান-ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজার মারফিকে, যার স্ত্রী সম্প্রতি সুইসাইড করেছেন। এ বিপত্নীকের সাথে আদ্রিয়ানার ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক লেখককে উদবিগ্ন করে। জাদুঘরের আঙিনায় লেখকের সাথে পাঠকের সাক্ষাৎ হয় দুই চীনা তরুণীর সঙ্গে যারা নিকারাগুয়ায় এসেছে। অপরিশােধিত স্বর্ণের সন্ধানে। অনিশ্চিত যাত্রার পাঠকও তার সাথে শরিক হন সেইলবােটে রােলেট খেলার আমােদে। অতঃপর জনহীন এক দ্বীপে বিরল প্রজাতির কচ্ছপের প্রজনন দেখতে গিয়ে পাঠকও অবগত হন সন্দেহপ্রবণ ক্রিসটেলা ও সেন্টিমেন্টাল বিয়াংকার জীবনের নানাবিধ দ্বন্দ্ব সংঘাতের সঙ্গে। পরিশেষে আগুন-পাহাড় মমােতমবাের কাছাকাছি একটি ক্যাটল রেঞ্চে দিনযাপনের বয়ানে পাঠকও শামিল হন। ক্যাম্পফায়ারে, পােষ প্যালিকানের নৃত্যপ্রবণতা, কিংবা পরকীয়ার বিষয়-আশয় তাদের করে তুলে দারুণভাবে কৌতূহলী। পর্যটনের শেষ পর্বে লেখক ও পাঠক এসে হাজির। হন পুরাতাত্ত্বিক একটি নগরীতে, আদিবাসীদের নিপীড়ন তাদের বিষাদগ্রস্ত করে। এবং স্বাস্থ্যসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জকে তােয়াক্কা না করে। অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক দম্পতির ফের একাডেমিক উদ্যোগের বিষয়-আশয়ও তাদের মনে যােগায়। বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে বেঁচে থাকার প্রেরণা।