| লেখক | সাদমান সিদ্দীক, জাকিয়া সুলতানা |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 2, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 480 |
| Cover Type | পেপার ব্যাক |
উইল ইউ ম্যারি মি? আয়াত ইমতিহান এক নব দম্পতি। রাজধানীর হৃদয়ে আয়েশী রাজা-রানীর মতো কাটছে তাঁদের জীবন। তাঁদের সেই অনাবিল জীবনে ধেয়ে আসে এক তৃতীয় পক্ষ। তা তাঁদের জীবনে নিয়ে আসে বিচ্ছেদের এক ঝড়। সেই ঝড় প্রতিরোধ করে নিজেদের দাম্পত্য সুখকে কি টিকিয়ে রাখতে পেরেছিল তাঁরা? নাকি হারিয়ে গিয়েছিল বিচ্ছেদের ধূ ধূ বালিতে? ওদিকে ইমতিহানের কাছে আসে এক অদ্ভুত চিঠি। নাম ঠিকানাহীন সেই চিঠি। চিঠিতে লেখা ‘আমি মরতে চাই। আত্মহত্যা জায়েযের একটি পথ করে দিন আমায়।’ কে পাঠিয়েছিল সেই নাম-ঠিকানাহীন চিঠি? কেনইবা সে মরতে চায়? ইমতিহান কি খুঁজে বের করতে পেরেছিলো চিঠির প্রেরককে? বাঁচাতে পেরেছিলো তাকে? নাকি এর আগেই আত্মহত্যা করেছিল সেই মানুষটি? অন্যদিকে উপন্যাসের বিস্তৃত এক জায়গাজুড়ে হেঁটে চলেছে আবরার-নাতাশার কাহিনী। কী সেই কাহিনী? উপন্যাসের বিস্তৃত জায়গাজুড়ে তাঁরা কী এমন অবদান রেখে গেছে অতি সন্তর্পণে, যার দরুন লেখক তাঁদের কাহিনী লিখে রেখেছেন বিশাল অংশজুড়ে? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে পড়তে হবে ‘উইল ইউ ম্যারি মি?’ সুন্দর, রোমাঞ্চকর এই ভুবনে আপনাকে লেডি অব দ্য প্যালেস ‘লেডি অব দ্য প্যালেস’ এক ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা পাঠককে নিয়ে যায় উসমানি সাম্রাজ্যের অন্তিম সময়ের মিশরের রহস্যময় প্রাসাদে। ষড়যন্ত্র, বিশ্বাসঘাতকতা ও ক্ষমতার নেশায় মোড়া রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ‘মহারানি’—এক রহস্যময়, কঠোর ও প্রভাবশালী নারী, যিনি প্রয়োজনে রক্তপাত করতেও দ্বিধা করেন না। তার সম্পর্কে কিংবদন্তি—“তিনি খুন করেন, তারপর জানাজায় অংশ নেন। আবু কাজিম হারানি প্রতিশোধে উন্মত্ত, আর গওহার এক ভয়াবহ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। চরিত্রগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে এক অনিবার্য ধ্বংসের পথে এগিয়ে যায়। এই উপন্যাস শুধু ইতিহাস নয়, বরং সময়ের জন্য এক সতর্ক বার্তা— আল্লাহর বিধানই চূড়ান্ত, আর ন্যায়বিচারই চিরন্তন। মেহজাবি মেহজাবি বেড়ে উঠেছে এমন এক পরিবেশে, যেখানে ইসলাম শুধুই নামমাত্র পরিচয়, আর চারপাশ ঘিরে রয়েছে নৈতিকতার শূন্যতা। ছোটবেলাতেই সে পাড়ি জমায় অ্যামেরিকায়। সময়ের প্রবাহে গড়ে ওঠে ভিন্ন এক জীবন। কিন্তু একদিন—নীরবেই বদলে যায় তার ভুবন। হেদায়াতের অমীয় সুধা এসে ছুঁয়ে যায় তার হৃদয়। সে খুঁজে পায় নিজের পথ, নিজের রব। শেকড়ের টানে মেহজাবি ফিরে আসে বাংলাদেশে। শুরু হয় নতুন জীবন, নতুন সংগ্রাম। সে ইলম অর্জনে মনোযোগী হয়, স্বপ্ন দেখে একজন আল্লাহভীরু জীবনসঙ্গীর। কিন্তু বাস্তবতা বড় নির্মম। সমাজ কি এত সহজে গ্রহণ করে একজন ‘পুনরাগতাকে’? তার ডিগ্রি দেখে যাদের আগ্রহ, তারা দীনের জ্ঞানে শূন্য। আর যারা দীনদার হিসেবে পরিচিত, তাদের থেকেই আসে তির্যক কথা, অবজ্ঞা আর বিদ্রুপ। তবু থেমে যায় না মেহজাবি। একা একাই সে লড়ে যায় নিজের বিশ্বাস, চেতনাকে আঁকড়ে ধরে। তারপর? তারপর কী হলো মেহজাবির সাথে?