Whatsapp: +8801567808596

  |  

Track Order

পলিটিক্যাল ইনসাইট প্যাকেজ

পলিটিক্যাল ইনসাইট প্যাকেজ

৳3475
৳2422
আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর আবুল মনসুর আহমদের আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসচর্চার ক্ষেত্রে একটি অপরিহার্য গ্রন্থ। স্মৃতিকথার আঙ্গিকে লেখা এই বইটিতে লেখক ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে পুরো পাকিস্তান আমল এবং স্বাধীন বাংলাদ
  লেখক   শায়খ আব্দুল হাকিম হক্কানি, পিনাকী ভট্টাচার্য
  প্রকাশনী

 বাহার বুক হাউস

  সংস্করণ   May 2, 2026
  catagory  ইসলামি বই
  Language   বাংলা
  Number of Pages   0
  Cover Type   Unknown Cover

আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর আবুল মনসুর আহমদের আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসচর্চার ক্ষেত্রে একটি অপরিহার্য গ্রন্থ। স্মৃতিকথার আঙ্গিকে লেখা এই বইটিতে লেখক ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে পুরো পাকিস্তান আমল এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়-পরবর্তী সময় পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাব্দীর রাজনৈতিক ইতিহাস অত্যন্ত সরল ও অন্তরঙ্গ ভঙ্গিতে তুলে ধরেছেন। লেখক নিজে ছিলেন এই সময়ের অনেক ঘটনার সাক্ষী,কিছু ঘটনায় তাঁর ছিল সরাসরি অংশগ্রহণ। প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তাঁর সে অভিজ্ঞতারই বস্ত্তনিষ্ঠ বয়ান পাওয়া যায় বইটিতে। কৌতূহলী পাঠক,ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের কাছে বহুদিন ধরেই এ বই একটি মূল্যবান ও নির্ভরযোগ্য তথ্য-আকর হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। প্রথমা প্রকাশন থেকে গুরুত্বপূর্ণ এ বইটির একটি সুমুদ্রিত সংস্করণ প্রকাশ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর (পরিবর্ধিত সংস্করণ) বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর গ্রন্থটি মূলত বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে সংঘটিত হওয়া ঘটনাবলির একটি সংকলন। বিংশ শতাব্দীর যে বিষয়গুলো বিশ্ব রাজনীতিতে আলোড়ন তুলেছিল, তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে গ্রন্থটিতে। বিশেষ করে দু’দুটো বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতন্ত্রের পতন পর্যন্ত প্রতিটি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। চীনের সংস্কার কর্মসূচিও আলোচনা থেকে বাদ যায়নি। গ্রন্থটির দুটো উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হচ্ছে নতুন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ও বিশ্ব পরিবেশগত সমস্যা। বিংশ শতাব্দীতে এই দুটো বিষয় বিশ্ব রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছিল। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিশ^ বাণিজ্য সংস্থার ভূমিকা, বাণিজ্যজোট হিসেবে এদেশের ভূমিকা সঙ্গত কারণেই তাই আলোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ব পরিবেশগত সমস্যা শীর্ষক অধ্যায়ে স্থান পেয়েছে বিশ্বের উষ্ণতারোধ সংক্রান্ত কিয়োটো চুক্তি থেকে শুরু করে সর্বশেষ প্যারিস সম্মেলনের বিষয়টি পর্যন্ত। বাংলাদেশের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিধায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গটি আলোচনা করা হয়েছে। ‘সভ্যতার সংকট’ বিশ্ব শতাব্দীর শেষ দিনগুলোতে আলোচনার ঝড় তুলেছিল। এটা বিবেচনায় নিয়েই ঊনবিংশ অধ্যায়ে ‘সভ্যতার সংকট’ ও নয়া বিশ^ ব্যবস্থার স্বরূপ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। গ্রন্থটিতে প্রচুর সারণি ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে পাঠকরা ওইসব উপাত্ত ও তথ্য নিয়ে বিংশ শতাব্দীতে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনা বিশ্লেষণ করতে পারবেন। গ্রন্থটি মূলত রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ছাত্রদের জন্য একটি রেফারেন্স বই। একই সাথে বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা গ্রন্থটি পাঠ করে উপকৃত হবেন। সাধারণ পাঠকরাও বইটি পড়ে বিশ^ রাজনীতির ইতিহাস সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবেন। ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার মূলনীতি রাষ্ট্র ও সরকার দু’ধরনের হয়ে থাকে। ‎ কর আদায়কারী পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ও সরকার। পথপ্রদর্শনকারী কল্যাণরাষ্ট্র ও সরকার। অর্থভিত্তিক ও পুঁজিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল লক্ষ্য থাকে রাষ্ট্রের আয় বৃদ্ধি ও সঞ্চয়ের অসীম স্ফীতি। হিদায়াতের দিকে পথপ্রদর্শনকারী (হিদায়াতি) রাষ্ট্রের উপলক্ষ্য ও গঠন হয়ে থাকে পুঁজিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার উপলক্ষ্য ও গঠনপ্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রাণ, প্রবণতা, আত্মচাহিদা, সিরাত, আচরণ ও কর্মপন্থার দিক থেকে হয় প্রথমটির সম্পূর্ণ বিপরীত। হিদায়াতি রাষ্ট্রের কর্ণধারদের মধ্যে শরিয়তের মূলনীতি বাস্তবায়ন, নিজ দায়িত্ব মূল্যায়ন, সেবা করা ও অপরকে নিজের ওপর প্রাধান্য দেওয়ার প্রবণতা বিদ্যমান থাকে। ইতিহাসে এই দুই ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রমাণ পাওয়া যায়। পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের ব্যাখ্যা দেওয়ার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। অতীত থেকে বর্তমান, প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যে এ ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থা জীবনবিধানের মত ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়ে পড়েছে। তবে হিদায়াতি রাষ্ট্রের উপমা ইতিহাসে যেমন বিরল, বর্তমানে তো প্রায় নেই বললেই চলে। বর্তমানে অধিকাংশ-বলতে গেলে সবগুলো রাষ্ট্রই হচ্ছে নিরেট পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের নিকৃষ্টতম উদাহরণ। “ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার মূলনীতি” বইটির অধিকাংশ অংশজুড়ে হিদায়াতি রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। তুলনা ও পর্যালোচনার মানদণ্ডে। উত্তর আধুনিক এই যুগে জীবনব্যবস্থা হিসেবে কোন রাষ্ট্র কাঠামো অধিক প্রাসঙ্গিক- এই গ্রন্থে তা স্বচ্ছভাবে ফুটে উঠেছে। প্রিজনার্স অব জিওগ্রাফি মানচিত্রে সাথে আমাদের রহস্যময় একটি সম্পর্ক রয়েছে। তা প্রাচীন, ক্ষয়ে যাওয়া মানচিত্র হোক বা গুগল দ্বারা তৈরি ডিজিটাল মানচিত্র—মানচিত্র আমাদের শুধু বর্তমান অবস্থান প্রকাশ করে না, পুরো পৃথিবী সম্পর্কে জানায়। কিন্তু যখন ভূ-রাজনীতির প্রসঙ্গ আসে, তখন আমাদের এমন সব তথ্য বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের থেকে আসে, যারা কিনা অনেক সময় সংশ্লিষ্ট স্থানের মানচিত্র সম্পর্কেই ওয়াকিবহাল নন। প্রিজনার্স অব জিওগ্রাফি বইটিতে সাংবাদিক টিম মার্শাল দেখিয়েছেন, কীভাবে প্রতিটি দেশের নেতারা ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা বিবেচনা রেখে সিদ্ধান্ত নেন। রাশিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, লাতিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ, জাপান, কোরিয়া, গ্রীনল্যান্ড এবং আর্কটিক—এসব অঞ্চলের আবহাওয়া, সাগর, পাহাড়, নদী, মরুভূমি ও সীমানা তাদের শক্তি প্রদর্শ, দুর্বলতার অংশ এবং ভূ-রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোকে কীভাবে প্রভাবিত করে, তা তিনি বিশ্লেষণ করেছেন। এই বইটি পাঠককে গোটা পৃথিবীর মানচিত্রের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করবে। কেন পুতিন ক্রিমিয়ার প্রতি এত আগ্রহী? কেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বমঞ্চে সুপারপাওয়ার হয়ে ওঠা পূর্বনির্ধারিত ছিল? কেন চীনা শক্তির ভিত্তি ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে? কেন তিব্বত তার স্বায়ত্তশাসন হারাতে বাধ্য? কেন ইউরোপ কখনোই সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ হতে পারবে না? এই প্রশ্নগুলোর অনেক উত্তরই লুকিয়ে আছে ভূগোলে। মোটকথা প্রিজনার্স অব জিওগ্রাফি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বই, যা আপনাকে বিশ্ব পরিস্থিতি বুঝতে সাহায্য করবে একটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশ ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ এর শেখ মুজিবের শাসনামল স্বাধীন বাংলাদেশের গতিমুখ ঠিক করেছে। এইসময়ের সদ্য স্বাধীন দেশ যেভাবে রাষ্ট্রগঠনের পথে অগ্রসর হয়েছিলো সেটাই আজকের বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে। মুজিব আমলের যেই বয়ান বাংলাদেশের আওয়ামী বলয়ের বুদ্ধিজীবিদের হাত ধরে গড়ে উঠেছে সেটাই হয়ে দাড়িয়েছে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের চলতি বয়ান। সেই বয়ানের উপরে দাড়িয়ে আছে মুজিব শাসনের এক স্বপ্নালু ভাবমূর্তি এবং ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্যকে আমরা কোন সচেতনতা ছাড়াই বহন করি, তার উৎস বা কার্যকারন না জেনেই। রোলা বার্তে তার মিথোলজিস বইয়ে বলেছেন, আমরা যেই বাস্তবতার মধ্যে বসবাস করি তার জমিনটা তৈরি করে দেয় ইতিহাসের কোন বয়ানের মধ্যে আমরা বাস করি তা। ফলে মুজিব আমাদের সুঃশাসন, রাষ্ট্র গঠনের ব্যর্থতা, নজিরবিহীন দুর্বৃত্তায়ন ও ভয়াবহ মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। ইতিহাসের কোন একাডেমিক অন্বেষণকে অসম্ভব করে তোলা হয়েছে। লেখক ইতিহাসের ধুলো কালি সরিয়ে সেই চেপে রাখা ইতিহাস নির্মোহভাবে আজকের প্রজন্মের সামনে তুলে ধরেছেন স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের প্রথম খণ্ডে।

বইয়ের রেটিং: (0.00/5, 0 রেটিং)
রেটিং দিতে লগইন করুন।