| লেখক | মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | April 29, 2026 |
| catagory | রহস্য , গোয়েন্দা , ভৌতিক , থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 159 |
| Cover Type | হার্ড কভার |
“ওই বাক্সের ভেতর কমলা মায়ের জেড পাথরের যে মূর্তিটা আছে, ওটাই আসল। গুপ্তধনের থেকেও হাজার গুণ বেশি দামি। গুপ্তধন একবার পেতে পারেন। উড়নচণ্ডী হলে খরচ হতেও বেশি দেরি হবে না। কিন্তু মা কমলা স্বয়ং লক্ষ্মী। তার ভাণ্ডার কখনও শেষ হওয়ার নয়। ঠিকমতো উপাচার সাজিয়ে সঠিক নৈবেদ্য দিয়ে মায়ের পুজো করলে অসীম ধন লাভ হবে। যতবার চাইবেন ততবার পাবেন। না, মা নিজে এসে আপনার সিন্দুক ভরে দিয়ে যাবেন না। যা হবে তা হলো: আপনি যেখানে হাত দেবেন, সেখানেই সোনা ফলবে। পুজো করবেন আর আঙুল ফুলে কলাগাছ হবেন। তবে হ্যাঁ, যতদিন যাবে ভারী হবে পুজোর নৈবেদ্য।” “ভারী নৈবেদ্য আবার কী?” “প্রথমে ফুলফল, বেলপাতা, আর কুমড়ো বলি দিয়ে পুজো দিলেও শেষ দিকে পশুবলি থেকে শুরু করে নরবলি অব্দি গড়াতে পারে।” …………. প্রিয় পাঠক, বুঝতেই পারছেন। নরবলি অব্দি গড়িয়েছে ব্যাপারটা। কিন্তু কেন? লাভ কী? কার বলি দেওয়া হলো? দিলই বা কে? সেসবের সঙ্গে কী সম্পর্ক নিরীহ তালেবে-এলেম, হজরত আলীর? জানতে হলে . . . ? আরকি . . . পড়ে ফেলুন সাঁঝবাতি!