| লেখক | প্রফেসর তোহুর আহমদ হিলালী |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | September 14, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 200 |
| Cover Type | পেপার ব্যাক |
এটি মূলত ঢাকা শহরে জুমার দিনে খতিব মহোদয়দের প্রদত্ত খুতবার শ্রুতিলিখন। জুমার খুতবা খতিব মহোদয়দের এক সপ্তাহের পড়াশোনা ও চিন্তাভাবনার ফসল। তাঁরা মানুষকে কল্যাণের পথে আহবান করেন এবং অন্যায় ও পাপাচার থেকে বিরত থাকার জন্য বলেন। মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে খুতবা তাঁদের নসিহত। এই খুতবা প্রদান প্রিয়তম নবি মুহাম্মদ সা. থেকে চলে আসছে। বক্তৃতায় রয়েছে এক যাদুকরী শক্তি। ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখাই খুতবার (বক্তৃতা) উদ্দেশ্য। একটি সময় ছিল যখন খতিব মহোদয়গণ নিয়ম রক্ষার তাগিদে গতানুগতিক লিখিত খুতবা পাঠ করতেন। বর্তমানে তার পরিবর্তন ঘটেছে। এখন অনেক মসজিদে জুমার খুতবা সরাসরি ইন্টারনেটে প্রচার করা হয়। ফলে খুতবার গুণগত মান অনেক উন্নত হয়েছে। অনেক মসজিদে খতিব মহোদয়ের খুতবা শোনার জন্য নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই মসজিদে হাজির হন। খুতবা বা বক্তৃতার দাবি হলো শ্রোতামণ্ডলী মনোযোগ দিয়ে শুনবে ও সে আলোকে নিজেকে গড়ে তুলবে। হ্যাঁ, রসুলুল্লাহ (সা.) খুতবা শ্রবণকে ওয়াজিব করেছেন এবং এমন মনোযোগ দিয়ে শোনার কথা বলেছেন যেখানে পাশে কেউ কথা বললে ভাই চুপ করো তাও বলা যায় না। জুমার দিন আমাদের সাপ্তাহিক ঈদের দিন। এই দিনে রসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর উম্মতকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সাথে উত্তম পোশাকে সজ্জিত হয়ে সকাল সকাল মসজিদে উপস্থিত হওয়ার জন্য তাগিদ দিয়েছেন। ‘সমাজ সংস্কারে জুমার খুতবা’ বইটি পাঠ করে মুসল্লিদের মাঝে জুমার গুরুত্ব উপলব্ধি এবং নিজেকে সংশোধন করতে পারলে খতিব মহোদয় ও সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের শ্রম সার্থক হবে। আল্লাহপাক আমাদেরকে সেই তৌফিক দান করুন।