| লেখক | মুস্তাফিজ ইবনে আনির |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | May 1, 2026 |
| catagory | ইসলামি বই |
| Language | বাংলা |
| Number of Pages | 426 |
| Cover Type | পেপার ব্যাক |
তাদের বাড়ি সুখ পাহাড়ে জগতের সব দূষিত পরিবেশ এবং তেড়ে আসা ফেতনার বিষাক্ত থাবা থেকে বেঁচে, ঈমান রক্ষার ভিন্ন রকম ভাবনা। দূর পর্বতে একাকীত্ব পাড়ি জমায় দুটো দেহের একটি আত্মা। নব্বই দশকের হারানো কোনো সুখী সংসার সাজানোর স্বপ্ন পূরণে গড়ে তোলে সুখময় আবাস্থল। নাম দেয় তার সুখ-পাহাড়। পাহাড়ী ভীতি। একাকীত্ব জীবন। দস্যুদের আক্রমন। অমুসলিমদের বসবাসকেন্দ্র। সত্যের ঐক্যপথে সবাইকে আহ্বান। ঐক্যের ডাক। জ্বলে ওঠে ঈমানী মশাল। দূরীভূত মিথ্যের জয়কার। মাথা ঢুকানো ছেলেটি পাহাড়ী বাদশা! অচেনা এক রাজা। যার কথা এবং আদেশ পালনে মরিয়া সবাই। প্রেমের সৌরভে সুবাসিত চারিধার। নব্বই দশকের প্রেম-ভালোবাসার এক নিরেট-নিখাঁদ অবোধ্য প্রেমের গন্ধ। অভাবনীয় প্রেম-কাহিনি। হালাল বন্ধন। লাইলি-মজনু, শিরি-ফরহাদের প্রেমও সেখানে তুচ্ছ। খাঁটি প্রেমের গল্পে ধরা দেয় নূতন একটি প্রাণ। কপালের লিখন। আপন কৃতকর্মের কাছে পরাজিত জীবন। জীবনের অসহনীয় গল্পটিই অবিশ্বাস্য হয়ে সমাপ্ত। পাহাড়ি বাদশাহ অনিচ্ছে বিষয়টি সদিচ্ছেতে পরিণত করার নাম ‘পাহাড়ি বাদশাহ!’ মাআদের ‘সুখ-পাহাড়ে’ মৃত্যুপুরীই ছিলো শেষাধ্যায়। মৃত্যুর পর আর কিছুই যেনো বাকি নেই! শূন্য, খাঁখাঁ, ধু-ধু প্রান্তর। জীবনটাই এক দ্বগ্ধ মৃত্তিকার মতোন। পাঠকরা আমায় সেই দ্বগ্ধ মৃত্তিকায় বৃক্ষ রোপণের আবেদন জানালেন। ইচ্ছেহীন বৃক্ষরোপণে হাত বাড়ালাম। জল ঢাললাম। চারা গজালো। বৃক্ষ উৎপন্ন হলো। ডালে-পাতায় ছেয়ে গেল। ডালে ডালে রঙিন পুষ্পের দেখা মিললো। পুষ্প সৌরভে ধরা দিলো নূতন এক প্রেম। হারানো বন্ধন। পুরোনো ভালোবাসা। শ্বাসরুদ্ধকর গল্প। ‘পাহাড়ি বাদশাহ’ বইটি ‘তাদের বাড়ি সুখ-পাহাড়’ বইয়ের পরবর্তী অংশ। দুটি খণ্ড একত্রে পড়লে হয়তো পাবেন এক অভিন্ন স্বাদ।খোদার অপরূপ সসীম লীলাভূমির একটি হলো বনে ঘেরা প্রান্তর; আরণ্যক। যেখানে জীবন সহজ হলেও যাপন ভীষণ কঠিন। গিরি প্রান্তরের সবচে বড়ো কঠিন কাজ হলো, সাহস নিয়ে বাঁচা। সাহস হলো হাতের মুঠোয় জীবন নিয়ে সদা-সময়ে এগিয়ে চলা। ভীতুদের জন্যে জনবসতিহীন বিস্তৃত ভূমি পর্বত নয়। পাহাড়ে যাদের বসবাস, তাদের হতে হয় অসীম সাহসী। শক্ত বাহাদুর। সুকৌশলী মানব।