| লেখক | শামসুদ্দীন নওয়াব |
| প্রকাশনী | |
| সংস্করণ | June 15, 2026 |
| catagory | রহস্য , গোয়েন্দা , ভৌতিক , থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার |
| Language | : বাংলা |
| Number of Pages | 232 |
| Cover Type | পেপার ব্যাক |
“তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১৩২” বইটি সম্পর্কে কিছু কথা: আমি ভূত/শামসুদ্দীন নওয়াব: কিশাের ভূত বিশ্বাস করে না। কিন্তু মুসা আর রবিন বলছে কিশােরদের নতুন বাড়িটা ভুতুডে। দুটো পরিবার। স্রেফ উধাও হয়ে গিয়েছিল ও বাড়ি থেকে। ডন বলছে ও নাকি ঘরের ভিতরে ভূত দেখেছে। কিশাের উড়িয়ে দিল ওর কথা। কিন্তু আসলে কী ঘটছে বাড়িটাতে? মহাকাশের ভয়ঙ্কর/শামসুদ্দীন নওয়াব : ঘটনার শুরু দুর্ঘটনা দিয়ে। মহাকাশে দুটি স্পেসশিপ পরস্পর জুড়ে গেছে। এসময় উদয় হলাে কিশাের আর হিরু চাচা। শিপ দুটোকে আলাদা করার দায়িত্ব নিল। তারা। আবিষ্কার করল,যাত্রীদের মধ্যে কেউ ড্রাগ চোরাচালানে জড়িত। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে,কিশাের আর হিরু চাচাকেই চোরাচালানকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হলাে। দেয়া হলাে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ। এদিকে তাণ্ডব শুরু করেছে হিংস্র জন্তু ম্যানড্রেলের দল,খুন করছে মানুষ। কতদিক সামলাবে চাচা-ভাতিজা? রহস্যভেদী/শামসুদ্দীন নওয়াব: কানাডা পৌঁছেই তিন গােয়েন্দা জানল,ওদের জন্য রয়েছে মহাজটিল দু-দুটি কেস: জাদুঘর থেকে কোথায় গেল শত বছরের পুরনাে সােনা ও লেখক জ্যাক লণ্ডনের ব্যাগ?…নামকরা স্লেডের প্রতিযােগিতায় মাশারদের স্যাবােটাজ করছে কে বা কারা? তদন্তে নামল কিশাের-মুসা-রবিন,জানত না মস্ত বিপদে পড়বে!